Type to search

জাহিদীয়

প্রত্যাবর্তন

জহির রায়হানের একুশের গল্পের মত করে বহুবছর পর আমার প্রয়াত নানুর একটা শাড়ী উদ্ধার হয়েছে। আমি যে কাঁথাটা বহুদিন গায়ে দিয়ে ঘুমাতাম, সম্প্রতি সেটা ছিঁড়ে যাওয়ায় আম্মু সেটা সারাতে বসে ভাবলেন এটার সেলাই খুলে মাঝে নতুন একটা কাপড় বসাবেন। কাঁথার সুতা খোলার পর দেখা গেলো তার মাঝের কাপড়টা আমার নানুর ব্যবহৃত।

৯ বছর আগে যে ব্যবহৃত কাপড়টা ছিলো ফেলনা পর্যায়ের, যেটাকে ফেলে দেয়ার পূর্বে হয়তো কুড়িয়ে এনে আম্মু কাঁথা বানালেন, আজ সময়ের ব্যবধানে সেটি একজন মানুষের প্রতিনিধি। যে মানুষটি এখন আর নেই, কেনোদিন থাকবেন না আর।

আমার অতিপ্রিয় যেসব মানুষদের আমি হারিয়েছি, তার মধ্যে আমার নানা নানু ছিলেন অন্যতম দুজন। আল্লাহ তাদের দুজনকেই বেহেশত নসিব করুক। আমীন।

শেয়ার করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *