Type to search

রম্য

পৃথিবীর বুকে তোমার ভাইয়ের কি এতোই অভাব?

শৈশবের তোমারে মাঝেমাঝে আমার সিসিমপুরের সুমনার মতো লাগতো। ওই বয়সে ক্রাশ কি জানতাম না। কেবল মনে হতো, বড় হলে তুমি ওই সিসিমপুরের সুমনার মতোই দেখতে হবা! সুমনাকে আমার ভালো লাগতো। সুমনাকে সবসময় দেখতে পেতাম না বলে, তোমারে দেখে শৈশবে পেন্সিল কামড়াতাম!

কৈশরে তোমারে লাগতো কেয়া কসমিটেকের এ্যডের তিশার মতো। মনে হতো তোমার হাসি বোধহয় ওইরকমই! তিশাকে সবসময় দেখতে পেতাম না বলে, আমি তোমারে ভাবতাম ব্লাক বোর্ডে তাকিয়ে। জ্যামিতির বর্গক্ষেত্রকে কল্পনা করতাম, তোমার আমার ডুপ্লেক্স বাড়ি!

যৌবনে তোমারে কোন কোন এঙ্গেল থেকে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ মনে হতো। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখি তোমারে। নানান পাশ থেকে দেখি। দেখি হিসেব করি কত কি! তোমার পারফিউমের আশায় ক্লাশে পাশাপাশি সিট খুঁজি। আমার মুগ্ধতা বাড়ে। শৈশবের তোমাকে আমি গুরুত্বের সঙ্গে নিই!

কেবল তুমি যখন ‘ভাইয়া’ বলে ডাকো, তখন জ্যাকুলিন ঠিকই থাকে, ফার্নান্দেজ হয়ে যায় মিথিলা! হায়! তুমি এমন কেন? পৃথিবীর বুকে তোমার ভাইয়ের কি এতোই অভাব!

শেয়ার করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *