Type to search

সমসাময়িক

পাবলিক বিনোদন কেন্দ্রে যেসব সমস্যায় পড়তে হতে পারে

চন্দ্রিমা উদ্যানে যাবেন সাথে কোন মেয়েকে নিয়ে। বসার মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই উনারা এসে হাজির হবেন। হাতে পেপসির ক্যান। আপনি খাবেন কিনা তা জিজ্ঞেস না করেই এরা ক্যান খুলে আপনার হাতে ধরিয়ে দিয়ে ভালো অংকের দাম চাইবে। আপনি নিতে না চাইলে শুরু হবে নতুন ক্যাচাল। মেয়েটা আপনার কি হয়, বাসায় জানে কিনা -এ ধরনের নানান প্রশ্ন করে এরা আপনারে ভয় দেখাবে।

রবীন্দ্রসরোবরে যাবেন সাথে কোন মেয়েরে নিয়া, আসবে হিজরারা। টাকা না দিলে এরা সাথের মেয়েটার সামনে আপনার সাথে অশ্লীল আচরন করবে। গায়ে হাত দিবে।

ভোর্টানিক্যাল গার্ডেন, চিড়িয়াখানা সংলগ্ন দোকানগুলো সম্পর্কে তো সবারই ধারনা আছে। পকেটে মিনিমাম হাজার তিনেক টাকা না থাকলে এসব নিরিহ ফুসকার দোকানগুলোর আশপাশ দিয়ে হাঁটাও পাপ, বিশেষ করে আপনার সাথে যদি কোন মেয়ে থাকে!

এরপরে আছে ফুল বিক্রেতা পিচ্চিগুলা। ফুল না কিনা পর্যন্ত এরা আপনার পায়ে ধরে ঝুলে থাকবে। আপনি বিরক্ত হয়ে একজনের কাছ থেকে ফুল কিনলেন। সাথে সাথে তিন চারজন আসবে এবং তাদের কাছ থেকেও কিনতে বাধ্য করবে। সাপ গলায় ঝুলায়া আসবে আরেক গ্রুপ। টাকা না দিলে এরা সাপ দিয়ে ভয় দেখাবে আপনার সাথের মেয়েটাকে। ওই অবস্থায় টাকা না দেয়া ছাড়া উপায় থাকবে না আপনার।

ঢাকার প্রায় সবকটি পাবলিক বিনোদন কেন্দ্রেই আপনাকে এরকম সমস্যায় পড়তে হবে এবং সে সমস্যা মহামারী তে রুপ নিবে যদি আপনার সাথে একটা মেয়ে থাকে। স্বয়ং পুলিশকেও দেখেছি ক্যাপলদের হ্যারেজ করে টাকা নিতে। সাথে মেয়ে থাকলে খুব মারদাঙ্গা পুরুষও বিশেষ ঝামেলায় যেতে চায়না মেয়েটার সেফটির কথা চিন্তা করে। আর এই দুর্বলতটাকেই কাজে লাগায় এ বিশেষ প্রজাতির ‘সন্ত্রাসী’রা। কোন মন্ত্রি এমপি ক্ষমতাবানরা এসব ‘পুওর’ জায়গায় সম্ভবত আসেনা কখনো। এদের প্রেম সিনেপ্লেক্স, নাইট ক্লাব আরো কি। এসব নাগরীক সমস্যা নিয়ে কার কাছে যাবেন? আছে কে!

শেয়ার করুন
Tags:

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *