Type to search

সমসাময়িক

নির্মম এই দুনিয়ার বুকে কেবল সহানুভূতি প্রকাশটুকুও সুন্দর

যে কোনো ইস্যুতেই আমরা দুই ভাগ হয়ে যাই। মা দিবস এলে এক পক্ষ মায়ের সাথে ছবি আপলোড করলে তাতে আবার অন্য পক্ষের সমস্যা হয়। তারা বলতে চান, ‘মা কি একদিনের?’ফিলিস্তিনের সমর্থনে এক পক্ষ হ্যাশ ট্যাগ দিলে তাতে অন্য পক্ষের সমস্যা হয়। তারা মিম ট্রল করে বলতে চান, ‘হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে আসলে কি হয়!’

সত্যিই হ্যাশ ট্যাগে আসলেই হয়তো কিছুই হয়না, হবেও না। তবে একটা অপরাধ হতে দেখে তার যদি প্রতিবাদ জানাতে ইচ্ছা করে, তাহলে আর কি মাধ্যম আছে বলে মনে হয়? আল্লাহর কাছে প্রার্থনা ছাড়াও আর কিভাবে জানাতে পারবে প্রতিবাদ এত দূরে থেকে?

যারা হ্যাশ ট্যাগ ইউজ করছে তারা ক্ষমতাধর কেউ না যে ক্ষমতা ব্যবহার করে আসলেই ইসরাইলের ভূমিতে আঘাত হানতে পারবে৷ তারা আমাদের মতোই নগন্য। তাই হ্যাশ ট্যাগ ইউজ করে তারা কেবল ইসরায়েলের বিপক্ষে তাদের অবস্থানকে জানান দিচ্ছে৷ তাতে নিশ্চয়ই ট্রল মিমের স্বীকার হবার মত কোনো অপরাধ তারা করে ফেলেনি?

তবে হ্যা, তার মানে এই না যে এটা ইউজ করে পোস্ট দেওয়াই লাগবে। প্রতিবাদ বিভিন্ন ভাবেই জানানো যায়। অন্তত তারা কাউকে ট্রল করে নয়, হ্যাশ ট্যাগ ইউজ এর মতো তথাকথিত সিলি একটা বিষয় দিয়ে হলেও অন্যায়ের প্রতিবাদটুকু তো জানালো।

হ্যাশ ট্যাগে লেখা থাকে আমরা ফিলিস্তিনের পাশে আছি৷

নির্মম এই দুনিয়ার বুকে এই সহানুভূতি প্রকাশটুকুও সুন্দর বিষয় বলেই আমার মনে হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *