Type to search

গল্প

চিত্রা অভ্রু

– আপনার কি ভালোলাগে?
– কখনো ভেবে দেখিনি।
– আমাকে ভালোলাগে?
– লাগে মনে হয়।
– মনে হয়?
– হুম, সিওর হওয়ার মতো সাহস পাই না।
– আপনি এমন ভীতু কেন?
– আমি মহিলা পর্যায়ের পুরুষ মানুষ চিত্রা।
– হ হা হা, আপনি এতো মজার কথা কিভাবে বলেন?
– তুমি আগ্রহ নিয়ে শুনো, তাই ভেতর থেকে আসে।
– সারাজীবন শুনাবেন?
– উঁ
– হ্যালো অভ্রু, আপনি শুনছেন? হ্যালো।
– হুম শুনছি।
– সারা জীবন শুনাবেন না?
– “সারাজীবন” শব্দটা যোগ করে প্রশ্নটা জটিল করে ফেলেছো চিত্রা।
– আপনি কাপুরুষ।
– অবশ্যই আমি কাপুরুষ।
– আপনার সাথে কথা নেই। আপনি খারাপ।
– আচ্ছা তাহলে ফোন ধরে বসে আছো কেন?
– উঁ
.
অভ্রুও ফোন ধরে বসে থাকে। চিত্রা লাইন কাটে না। সারাজীবন শুনাবেন- এ প্রশ্ন বড় সহজ প্রশ্ন নয়। এর উত্তর ‘হ্যা’ বলা মানে, ইনডাইরেক্টলি সারাজীবন সাথে থাকার প্রমিজ করা। এর উত্তরে ‘না’ বললে চিত্রা ফোন রেখে দিয়ে কাঁদতো। চিত্রা কাঁদুনে টাইপ মেয়ে। এই মেয়েটাকে সারাজীবন মজার কথা শুনাতে অভ্রুর আপত্তি নেই। আপত্তি হচ্ছে, ‘আকাশের চাঁদ’ টাইপ একটা মেয়েকে নিয়ে স্বপ্নে দেখা। কিছু মানুষকে দুর থেকে ভালোবাসতে ভালো লাগে। এইসব মানুষগুলো খুব কাছাকাছি চলে আসলে নিজেকে কীটসম মনে হয়, এদের সামনা সামনি দাড়ালে নিজেকে মনে হয় অধম। এরা জোছনার মতো… অনুভব করা যাবে। ধরা যাবে না, ছোয়া যাবেনা। জোছনা অমূল্য, চিত্রাও…

শেয়ার করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *